বিশ্বখ্যাত ‘ক্যাফে অ্যামাজন’ এবার আসছে বসুন্ধরাতে
বাংলাদেশের কফিপ্রেমীদের জন্য দারুণ খবর! বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় 'ক্যাফে অ্যামাজন'-এর অসাধারণ স্বাদ এবার দেশের মাটিতে নিয়ে আসছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ।
গত ৩১ জুলাই থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এক জমকালো অনুষ্ঠানে 'ক্যাফে অ্যামাজন'-কে বাংলাদেশে আনার জন্য মাস্টার ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ফুড অ্যান্ড বেভারেজ (খাদ্য ও পানীয়) খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। তাঁর উপস্থিতিতেই চুক্তিতে সই করেন গ্রুপের পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান এবং 'পিটিটি অয়েল অ্যান্ড রিটেইল কোম্পানি'-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দিসাহাত পান্যারাচুন। এই চুক্তি দুই দেশের সফল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী অংশীদারিত্বের সূচনা করল।
শত শাখা খোলার পরিকল্পনা
চুক্তি অনুযায়ী, বসুন্ধরা গ্রুপের লক্ষ্য হলো এই বছরের শেষভাগ থেকে শুরু করে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের ১০০টি ভিন্ন স্থানে ক্যাফে অ্যামাজনের শাখা চালু করা। এর ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ সুপরিচিত এই কফির স্বাদ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিশরে থাই রাষ্ট্রদূত পাসুসিথ ওংসুরাওয়াত এবং থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর মো. মাসুমুর রহমান।
আস্থার কথা
পিটিটি অয়েল অ্যান্ড রিটেইল কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দিসাহাত পান্যারাচুন বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতির প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, "বাংলাদেশের বিশাল বাজারে ক্যাফে অ্যামাজন একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারবে বলে আমরা আশাবাদী। আমরা চাই, সেরা পানীয় এবং বিশ্বমানের পরিষেবা নিয়ে ক্যাফে অ্যামাজন বসুন্ধরা গ্রুপের হাত ধরে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে যাক।"
ক্যাফে অ্যামাজন: এক বিশ্বস্ত নাম
প্রায় দুই দশক আগে থাইল্যান্ডের খ্যাতনামা 'পিটিটি অয়েল অ্যান্ড রিটেইল বিজনেস পাবলিক কোম্পানি'-এর অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু করে 'ক্যাফে অ্যামাজন'। যারা ব্যাংকক ভ্রমণ করেছেন, তাদের কাছে এই ক্যাফেটি বরাবরই এক 'ইউনিক ডেসটিনেশন' হিসেবে পরিচিত।